1. Oxygen Mask
বিমান এ যদি আপনি ট্রাভেল করে থাকেন তাহলে আপনি নিশ্চয়ই female এয়ার hostess কে মিষ্টি গলায় এটা বলে থাকতে শুনবেন যে যাত্রীদের উদ্দেশ্য করে বলা হচ্ছে হাওয়ার প্রেসার কম হলে oxygen mask নিজে থেকেই নেমে আসবে এবং আপনারা সকলেই oxygen Mask ব্যবহার করুন।
কিন্তু আপনারা এটা কী জানেন যে এই oxygen Mask কেবল 15 মিনিট অবধিই কাজ করে। তারপর oxygen শেষ হয়ে গেলে oxygen supply নিজে থেকেই বন্ধ হয়ে যায়। অর্থাৎ এমন অবস্থায় আপনি যদি কোনও দিন পড়েন, তাহলে আপনি সাক্ষাৎ মৃত্যুকে ছুঁয়ে ফিরে আসবেন।
2. Hidden Camera
বিমান এ সব জায়গায় hidden camera লাগানো থাকে যাতে কোনও বিপদ ঘটে গেলে কোম্পানি পরে সেটা প্রমাণ করতে পারে। তাই আপনি চাইলেই নিজের সীট চেঞ্জ করে অন্যের সীট এ গিয়ে বসা বা অন্য কোনও illegal activities করতে পারবেন না। তবে টয়লেট এর ভিতর কোনও ক্যামেরা লাগানো থাকে না। সেখানে আপনি যা খুশি তাই করতে পারেন।
3. Death Body
বিমান এ যাত্রা করার সময় যদি কোনও মানুষ মারা যায় তবে তাকে বিমানের মধ্যেই একটি ফাঁকা জায়গায় নিয়ে গিয়ে রাখা হয়। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই মৃতদেহটিকে চাদর ঢাকা দিয়ে তার সীটেই রেখে দেওয়া হয়। এমন অবস্থায় যাত্রীরা মৃতদেহটির সাথেই বিমানে যাত্রা করে থাকেন।
4. Bad food quality
আপনারা কি জানেন বিমানে একজন পাইলট এর স্বাস্থ্যের উপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়। কারণ পাইলট এর কোনও রকম সমস্যা দেখা দিলে বিমান চালাবে কে? তাই বিমান এ পাইলটদের জন্য আলাদা ভাবে বাইরে থেকে উন্নত মানের খাবার আনা হয়। যেখানে সাধারণ যাত্রীদের তো বিমান এ কেবল বাজে quality এর বাসি খাবারই serve করা হয়।
5.Avoid Coffee
বিমান এ যাত্রা করার সময় ধরুন আপনি খবরের কাগজ পড়ছেন এবং যদি আপনাকে কোনও female air hostess এসে মিষ্টি গলায় কফির কথা জিজ্ঞাসা করে তাহলে আপনি অবশ্যই তা এড়িয়ে চলুন। কারণ বিমান এ যে সকল container এ করে কফি সার্ভ করা হয় সেগুলো নিয়মিতভাবে ভালো করে পরিষ্কার করা হয় না। এর ফলে আপনি নানা রোগের শিকার হতে পারেন।
6.Headphone
এই সুবিধাটা কেবল আপনি international flight এই পাবেন, domestic flight এ এধরণের কোনও সুবিধা নেই। আসলে বিমান এ উঠলে আপনার ফোন এ automatically autopilot mode on হয়ে যায়। তাই আপনি চাইলেও আপনার Smartphone এ ইন্টারনেট ইউজ করতে পারবেন না বিমান এ যাত্রা করার সময়। সেজন্য international flight এ passenger seat এর সামনে বড়ো স্ক্রিন লাগানো থাকে যাতে আপনি চাইলেই টিভি দেখতে বা মিউজিক শুনতে পারবেন। এমনকি সাউন্ড বা মিউজিক ভালোভাবে experience করার জন্য আপনাকে headphone ও দেওয়া হয়। কিন্তু আপনি জেনে অবাক হবেন যে ওই headphone গুলো যথাযথ বিধিরীতি মেনে ভালো করে পরিষ্কারও করা হয় না। এমন অবস্থায় ধরুন কোনও করোনা রোগী আপনার আগে যে headphone ব্যবহার করেছে তা যদি আপনি এখন ব্যবহার করেন তাহলে আপনার সাথে কি কি ঘটতে পারে তা আপনি একবার ভেবে দেখুন। যদিও করোনা এর পরে ভালোভাবে sanitize করে তারপরেই বিমান পরিষেবা চালু করা হয়েছে। তবুও আমি আপনাদের এই উদাহরণটা দিলাম এটা বোঝাতে যে এভাবে বিমান কর্মীদের গাফিলতির জন্য আপনি কত বড়ো সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।
7. Take off ও landing
আপনারা নিশ্চয়ই দেখে থাকবেন যে take off ও landing এর সময় বিমান এর সকল আলো বন্ধ থাকে। এমনটা এ কারণ এ করা হয় যাতে আপনার চোখ আশেপাশের পরিবেশ এর স্বাভাবিক আলোর সাথে মানিয়ে নিতে পারে। ধরুন emergency landing এর দরুন আপনি কোথাও আটকে পড়লে এমন অবস্থায় সবার প্রথমে আশেপাশের পরিবেশ এর সাথে মানিয়ে নেওয়া জরুরি এবং এর পর আপনার উচিত আশেপাশের পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে সেখান থেকে বেঁচে ফেরার চেষ্টা করা। একজন পাইলট বিমান এ কোনও রকম সমস্যা দেখলে বাধ্য হতে পারেন emergency landing করাতে । এক্ষেত্রে পাইলট কোনও জলভাগ বা কাছের কোনও এয়ারপোর্টকেই safe জায়গা রূপে বেছে নেন। Emegency landing এর সময় এর সব কিছুই পাইলট এর দক্ষতা এর উপর নির্ভর করে। এই কারণে বিমানে পাইলট সাধারণত short journey তে কখনওই ঘুমান না। long journey তে পাইলট কিছু অল্প সময় রেস্ট নেওয়ার সময় প্লেনটিকে একটি নির্দিষ্ট altitude এ নিয়ে গিয়ে autopilot mode এ সেট করে দেন এবং পাইলট রেস্ট নেওয়ার সময় একজন co-pilot সব সময় জেগে থাকেন emergency situation handle করার জন্যে । একজন পাইলটকে plane hijack হলেও emergency landing করাতে হতে পারে।
8. No parasuit
আপনাদের মধ্যে অনেকেই ভেবে থাকবেন যে বিমান এ আপনাদের parasuit দেওয়া হয় না কেন? এমন অবস্থায় বিমান দুর্ঘটনা হলে আপনি কী করে বাচবেন?
বিমান এ আসলে এই কারণেই parasuit দেওয়া হয় না কারণ বিমান এর মধ্যে exit এর জন্য কেবলমাত্র একটিই door থাকে। এমন অবস্থায় যেখানে কোনও দুর্ঘটনার সময় মাত্র কয়েক সেকেন্ড হাতে আছে সেখানে কয়েকশো যাত্রীকে কেবলমাত্র একটি door দিয়ে safely emergency landing করানো সম্ভব নয়। তাছাড়া বিমান এর সকল যাত্রী parasuit ব্যবহার করতেও জানেন না। এমন অবস্থায় যাত্রীদের parasuit দিতে হলে তাদের সবার আগে বিমান এ উঠার আগে parasuit ট্রেনিং থাকা বাধ্যতামূলক করা উচিত।
9 Smuggling
Airport থেকে আপনি checking না করিয়ে ঢুকতে বা বেরোতে পারবেন না। এমন অবস্থায় আপনি কোনওভাবেই নিয়মের বাইরে কোনও এক্সট্রা জিনিস carry করতে পারবেন না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আপনি যদি বিদেশ থেকে সোনা বা অন্য কোনও অলংকার জাতীয় কিছু নিয়ে আসেন তাহলে আপনাকে অবশ্যই তা এয়ারপোর্ট কর্মীদের দেখিয়ে সরকারকে tax দিয়ে তবেই আপনি তা নিজের বাড়ি নিয়ে যেতে পারেন। নাহলে smuggling এর case এ আপনার জেল ও হতে পারে। তবে এরও একটা লিমিট আছে। যেমন কোনও পুরুষ যাত্রী তার সাথে 20 গ্রাম ও মহিলা যাত্রী তার সাথে 40 গ্রাম এর বেশি ওজনের সোনার গয়না নিয়ে এয়ারপোর্ট থেকে বেরোতে পারবে না। প্রতিবছর বহু smuggler এভাবে লুকিয়ে illegally বহু মূল্যবান জিনিসপত্র এয়ারপোর্ট থেকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।
10.Luggage হারিয়ে যেতে পারে
আপনি যখন এয়ারপোর্ট এ পৌঁছন তখন আপনার কাছ থেকে suitcase টি নিয়ে নেওয়া হয় সিকিউরিটি checking এর জন্যে এবং checking শেষে আপনাকে তা আবার destination এ deliver করে দেওয়া হয়। একটি সমীক্ষা অনুযায়ী প্রতি বছর 2 কোটি 40 লাখ মানুষের suitcase checking এর সময় এয়ারপোর্টে অদল - বদল হয়ে যায়।তবে আপনি চাইলে আপনার সাথে একটি handbag 👜 carry করতেই পারেন ।
তাহলে বন্ধুরা আজ তোমরা জানলে যে বিমান এ ভ্রমণ করার সময় তোমরা কোন কোন বিপদে পড়তে পারো।